খেলাধুলা

ক্রিকেট মাঠের মাপ, পিচের সঠিক দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত? জানুন

ক্রিকেট মাঠের মাপ ও ক্রিকেট খেলার আন্তর্জাতিক নিয়ম সমূহ: বর্তমান বিশ্বে ক্রিকেট একটি জনপ্রিয় খেলা। ক্রিকেট খেলা বাংলাদেশেও জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে। ক্রিকেট খেলার জন্ম হয় ইংল্যান্ডে। তাই ইংল্যান্ডকে ‘ক্রিকেটের পিতৃভূমি’ বলা হয়।

ক্রিকেট মাঠের মাপ, ক্রিকেট মাঠ, ক্রিকেট মাঠের বিভিন্ন অংশের নাম

ক্রিকেট খেলার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

১৭১৯ সালে প্রথম কাউন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিদ্বন্দিতা হয় কেন্ট বনাম লন্ডনের মধ্যে। ১৮৭৭ সালে মেলবোর্নে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এই খেলায় অস্ট্রেলিয়া ৪৫ রানে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে।

১৯৭০-৭১ সালে মেলবোর্নে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় টেস্ট খেলাটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যাক্ত হলে কর্মকর্তারা ঠিক করলেন সীমিদ ওভারের খেলার । ফলে ১৯৭১ সালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে প্রথম ওয়ানডে আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৫ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সর্বপ্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৭ সাল থেকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা শুরু হয়। International Cricket Council (ICC) ক্রিকেটের নীতি নির্ধারক হিসেবে কাজ করে।

ক্রিকেট মাঠের মাপ কত

ক্রিকেট মাঠ সম্পর্কে আগে জেনে নিই। ক্রিকেট মাঠের আকৃতি দুই ধরনের হয়ে থাকে। ১। ওভাল সাইজ মাঠ। ২। রাউন্ড সাইজ মাঠ।

ক্রিকেট মাঠের মাপ
ওভাল সাইজ মাঠ
  • ১। ওভাল সাইজ  ক্রিকেট মাঠের মাপ – দুই প্রান্তের মাঝের থেকে কমপক্ষে ৬০-৭৫ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে দুই প্রান্তের মাঝের স্ট্যাম্প থেকে দুটি অর্ধবৃত্ত আঁকতে হবে। এরপর দুই দাঁগের মাথা সোজা রেখা দ্বারা সংযোগ করে দিলেই বাউন্ডারি লাইন হয়ে যাবে।
  • ২। রাউন্ড সাইজ  ক্রিকেট মাঠের মাপ – পিচের ঠিক মাঝখান থেকে ৬০-৭৫ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে বাউন্ডারি লাইন টানতে হয়। এরূপ মাঠকে রাউন্ড সাইজ ক্রিকেট মাঠ বলে।

পিচ এর পরিমাপ :

ক্রিকেট মাঠের পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ এবং প্রস্থ ৮ ফুট ৮ ইঞ্চি। পিচের উভয় প্রান্তে আড়াআড়িভাবে ২টি করে দাঁগ থাকবে। প্রথম দাঁগের ঠিক মাঝখানে স্ট্যাম্প বসবে। একে ‘বোলিং ক্রিজ’ বলা হয়। আর দ্বিতীয় দাঁগটি হচ্ছে বোলার এর বল করার সর্বশেষ সীমা। একে ‘পপিং ক্রিজ’ বলা হয়।  

পিচের দুই প্রান্তে তিনটি করে স্ট্যাম্প থাকে। প্রতি স্ট্যাম্পের মধ্যে দূরত্ব সমান থাকবে। তিনটি স্ট্যাম্প নিয়ে একটি উইকেট তৈরি হয় এবং তাতে দুইটি ‘বেল’ থাকে। মাটির উপরে উইকেটের উচ্চতা ২৮ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৯ ইঞ্চি।

ক্রিকেট খেলোয়াড় কতজন থাকা উচিত?

ক্রিকেট খেলা দু’টি দলের মধ্যে হয়ে থাকে। প্রতি দলে ১১ জন খেলোয়াড় খেলায় অংশগ্রহণ করে থাকে। মাঠে কোনো খেলোয়াড় অসুস্থ বা আহত হলে বদলি খেলোয়ার মাঠে নামতে পারবে।তবে সে শুধু ফিল্ডিং করতে পারবে।

আম্পায়ার :

ক্রিকেট খেলা পরিচালনার জন্য মাঠে দুই জন আম্পায়ার থাকেন, যাঁরা প্রয়োজন সাপেক্ষে চরম নিরপেক্ষতা অবলম্বন করেন। বোলিং প্রান্তে একজন এবং স্ট্রাইকিং ব্যাটটসম্যান এর লেগের দিকে সোজা ৯ মিটার দূরে অন্যজনের অবস্থান। এছাড়াও মাঠের বাইরে একজন ম্যাচ রেফারি থাকেন।  

ক্রিকেট ব্যাটের মাপ

একটি ক্রিকেট ব্যাটের দৈর্ঘ্য ৩৮ ইঞ্চির বেশি হবে না। ব্যাটের চওড়া অংশ / ব্লেড কাঠ দিয়ে তৈরি করতে হবে, যা কোনো অবস্থাতেই ৪ ইঞ্চির বেশি হবে না। ব্যাটের ওজন সাধারণত ১.২০ থেকে ১.৭০ কিলোগ্রাম হবে।

ক্রিকেট বল

ক্রিকেট বলের ওজন ১৫৬ গ্রামের কম বা ১৬৩ গ্রামের বেশি হবে না। ক্রিকেট বলের পরিধি ৯ ইঞ্চির বেশি হবে না। বলের ভেতরের অংশ হবে কর্কের এবং বাহিরে পাতলা চামড়ার আবরণ থাকবে।

ক্রিকেট মাঠের পিচের মাপ

ক্রিকেট পিচের বিভিন্ন অংশের নাম
ক্রিকেট পিচের বিভিন্ন অংশের নাম

বোলিং ক্রিজ, পপিং ক্রিজ ও রিটার্ন ক্রিজ : বোলিং ক্রিজ স্ট্যাম্পের সঙ্গে এক লাইনে থাকবে। স্ট্যাম্পগুলোর অবস্থান এর মধ্যে রেখে লম্বায় ৮ফুট ৮ইঞ্চি হবে। পপিং ক্রিজ বোলিং ক্রিজের ৪ ফুট সামনে সমান্তরালভাবে টানতে হয়।

পপিং ক্রিজটের দৈর্ঘ্য সীমাহীন বলে গণ্য হবে। রিটার্ন ক্রিজ অন্তত ৪ ফুট ইউকেটের পিছনে হবে এবং দৈর্ঘ্য সীমাহীন বলে গণ্য হবে। এই রিটার্ন ক্রিজটি সামনে পপিং ক্রিজের সাথে এসে মিলিত হবে।

ক্রিকেট মাঠের বিভিন্ন অংশের নাম

ক্রিকেট মাঠের বিভিন্ন অংশের নাম চিত্রে দেয়া হলোঃ

ক্রিকেট মাঠের বিভিন্ন অংশের নাম
ক্রিকেট মাঠের বিভিন্ন অংশের নাম

খেলা আরম্ভ : খেলা আরম্ভ হবার সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পূর্বে মাঠের সীমানার মধ্যে অধিনায়কদ্বয় ইনিংস পছন্দের জন্য টস করবেন। টসে বিজয়ী অধিনায়ক খেলা শুরুর নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১০ মিনিট পূর্বে ব্যাট করবেন নাকি বল করবেন সে বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিবেন। কোনো অবস্থাতেই এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যাবেনা।

ক্রিকেট ওভার

  1. সাধারণত ছয়টি শুদ্ধ বলে প্রতি ওভার নির্ধারণ করা হয়।
  2. ওভারের শেষ বল করার পর আম্পায়ার ওভার ঘোষণা করেন।
  3. নো বা ওয়াইড বল ওভারের মধ্যে গণনা করা হয় হয় না।
  4. বল গণনার ক্ষেত্রে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

নো বলের নিয়ম

বোলার নিয়মমাফিক বল না করলে নো বল হয়। নো বলের শাস্তিস্বরূপ বলারকে একটি অতিরিক্ত বল করতে হয় এবং ব্যাটসম্যান একটি অতিরিক্ত রান পায়। উক্ত অতিরিক্ত বলে ব্যাটসম্যান ফ্রি-হিটের সুযোগ পায় অর্থাৎ ব্যাটসম্যান কেবল রান আউট ছাড়া আর কোনো আউট হবে না।

নিম্নের কারণগুলোর জন্য নো বল ডাকা হয়-

  • ক) বল ডেলিভারির সময় বোলারের কনুই ভেঙে গেলে।
  • খ) বল ডেলিভারির পূর্বে পা পপিং ক্রিজ সম্পূর্ণরূপে অতিক্রম করলে।
  • গ) বল ডেলিভারির পূর্বে বোলারের পা রিটার্ন ক্রিজের প্রসারিত অংশের বাইরে থাকলে।
  • ঘ) বোলার বল করার সময় উইকেটের কোন ক্ষতি করলে।
  • ঙ) বল পিচের অর্ধেকের এপাশে পড়লে।
  • চ) বল সরাসরি ব্যাটসম্যানের কোমরের উপর দিয়ে চলে গেলে।
  • ছ) নিয়মমাফিক ফিল্ডার অবস্থান না করলে।
  • জ) বল একবারের বেশি বাউন্স করলে।
  • ঝ) বোলার over the wicket বল করতে করতে একই ওভারে আম্পায়ারকে না জানিয়ে round the wicket বল করলে।
  • ঞ) বোলার বোলিং এর উদ্দেশ্যে রান আপ শুরু করার পর উইকেট কিপার সামনে-পিছনে বা সাইডে নড়াচড়া করলে।
  • ট) বোলার কর্তৃক ডেলিভারিকৃত বলটি ব্যাটসম্যানের উইকেট পার হওয়ার আগে উইকেট কিপার ধরলে।

ওয়াইড বলের নিয়ম

স্বাভাবিকভাবে গার্ড নিয়ে দাড়িয়ে থাকা স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যানের নাগালের বাইরে দিয়ে বল উইকেটের লাইন অতিক্রম করলে ওয়াইড বল হয়। তবে টেস্ট খেলায় ও একদিনের খেলায় ওয়াইড বলের মধ্যে দূরত্বের পার্থক্য আছে। ওয়াইড বলের শাস্তিস্বরূপ বলারকে একটি অতিরিক্ত বল করতে হয় এবং ব্যাটসম্যান একটি অতিরিক্ত রান পায়।

ক্রিকেটে আউট কত প্রকার ও কি কি

ক্রিকেটে বিভিন্ন কারণে ব্যাটসম্যান আউট হয়ে থাকে। নিচে বিভিন্ন ধরনের আউট এর বিবরণ দেয়া হলো-

 ১। রান আউট – রান নেওয়ার সময় ব্যাটসম্যান যদি পপিং ক্রিজে পৌঁছাবার আগেই বিপক্ষ দলের কোনো খেলোয়াড় বল দ্বারা স্ট্যাম্পের বেল ফেলে দেয়, তখন সে প্রান্তের ব্যাটসম্যান রান আউটের আওতায় পড়বেন।

রান আউট
রান আউট

২। এল বি ডব্লিউ আউট : আম্পায়ার যদি মনে করেন যে, বৈধ বলটি ব্যাটসম্যানের দেহ, পোশাক, সাজ-সরঞ্জাম বা পায়ে না লাগলে অবশ্যই উইকেটে আঘাত হানতো, তখন আম্পায়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যানকে এলবিডব্লিউ (লেগ বিফোর দ্যা উইকেট) আউট দেবেন। অবশ্য লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে পিচ করা বলের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না ।

। বোল্ড আউট : বোলারের বৈধ বল সরাসরি অথবা ব্যাটসম্যানের ব্যাটে বা শরীরে স্পর্শ করে স্ট্যাম্পের বেল ফেলে দিলে ঐ ব্যাটসম্যান আউট হবেন। একে বোল্ড আউট বলে।

৪। ক্যাচ আউট : কোনো বৈধ বল স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যানের ব্যাট বা হাতের কবজির নিচের অংশ স্পর্শ করে এবং বলটি শূন্যে থাকা অবস্খায় ফিল্ডার সম্পূর্ণভাবে মাঠের সীমানার মধ্যে অবস্থান করে তালুবন্দি করলে অথবা তার পোশাকে বা দেহের কোনো অংশে আটকে গেলে ওই ব্যাটসম্যান আউট হবেন। এই ধরনের আউটকে ক্যাচ আউট বলে।

৫। স্ট্যাম্পড আউট : নো বল ব্যতীত ব্যাটসম্যান খেলার জন্য পপিং ক্রিজ ছেড়ে বাইরে গেলে ঐ সময় কোনো ফিল্ডসম্যানের বিনা হস্তক্ষেপে যদি বল ধরে বেল ফেলে দেন তাহলে ঐ ব্যাটসম্যান স্ট্যাম্পড আউট হবেন।

স্ট্যাম্পড আউট
স্ট্যাম্পড আউট

৬। টাইমড আউট : যদি কোনো আগমনরত ব্যাটসম্যান ইচ্ছাকৃতভাবে মাঠে প্রবেশ করতে ২ মিনিটের বেশি সময় নেন, তাহলে তিনি আবেদনের প্রেক্ষিতে টাইমড আউটের আওতায় পড়বেন। ২ মিনিট সময়টি উইকেট পতনের মুহূর্ত থেকে নতুন ব্যাটসম্যানের মাঠে প্রবেশম করা পর্যন্ত ধরা হবে। টি-টুয়েন্টি খেলায় এই সময় ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।

৭। হিট উইকেট আউট : ব্যাটসম্যান যদি খেলার সময় তার ব্যাট, পোশাক, সাজ-সরঞ্জাম বা শরীরের কোনো অংশ লেগে উইকেট ভেঙে যায়, তখন ঐ ব্যাটসম্যান হিট উইকেট আউট হবেন ।

হিট উইকেট আউট
হিট উইকেট আউট

৮। হিট দ্য বল টোয়াইস আউট : স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যানের ব্যাটে বা শরীরে বল একবার লাগার পর ঐ ব্যাটসম্যান নিজের উইকেট রক্ষার উদ্দেশ্য ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার ব্যাট বা শরীরের যে কোনো অংশ দ্বারা দ্বিতীয়বার বলে আঘাত করলে আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যাটসম্যান যে আউট হন তাকে হিট দ্য বল টোয়াইস আউট বলে।

৬ মাস বয়সী শিশুকে কী খাবার খাওয়ানো উচিত ?

৯। হ্যান্ডলড দ্য বল আউট : উভয় ব্যাটসম্যানের যে কেউ আবেদনের প্রেক্ষিতে হ্যান্ডলড দ্য বল আউট হবেন যদি তিনি বিপক্ষের অনুরোধ ব্যতীত আচ্ছাকৃতভাবে বলটিকে খেলার মেয়াদ থাকাকালীন তার যে হাতে ব্যাট নেই সেই হাত দ্বারা স্পর্শ করেন ।

১০। অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড আউট : ইচ্ছাকৃতভাবে কথা বা কাজের দ্বারা ফিল্ডারদের বল ধরতে বাধা প্রদান করলে আবেদনের প্রেক্ষিতে দুই ব্যাটসম্যানের যে কোনো একজন অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড আউট হবেন।

রিটায়ার্ড হার্ট নামে ক্রিকেটে আরো একটি আউট আছে । ব্যাটসম্যান কোনো আঘাতজনিত কারণে বা অসুস্থতার জন্য অবসর নিলে তিনি যদি এই ইনিংসের মধ্যে আর ব্যাট করতে না নামেন, তবে আম্পায়ার তাকে আউট বলে ঘোষণা করবেন ।

পরিশেষে, ক্রিকেট একটি আন্তর্জাতিক জনপ্রিয় খেলা। বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম সর্বত্রই এই খেলা পছন্দের। খেলাধুলা শরীর ও মন উভয়কেই সতেজ-প্রাণবন্ত রাখে। শিশু, কিশোর, তরুণ সকলকে মোবাইলেই আসক্তি থেকে রক্ষা করতে তাদের বিভিন্ন খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা প্রতিটি অভিভাবকের উচিত।

ক্রিকেট মাঠের পিচের মাপ, ক্রিকেটে আউট কত প্রকার, ক্রিকেট মাঠের বিভিন্ন অংশের নাম, ক্রিকেট ব্যাটের মাপ বিষয়বস্তুর বাইরে যদি আরও প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।।

Samim Ahmed

Hey! I'm Samim Ahmed (Admin of ShikhiBD). I love to write and read on the topic of current affairs. Since my childhood; I have been an expert in writing feature posts for various magazines.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button